সংবাদ শিরোনাম ::
শাহজাদপুরে আওয়ামীলীগের সাবেক দুই এমপির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা বেলকুচিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ  শাহজাদপুরে অটোবাইক ছিনতাই চক্রের ৬ জন আটক ৭ নভেম্বর না আসলে বাংলাদেশ বিলীন হয়ে যেত: বাউবি উপাচার্য বেলকুচির সেন ভাঙ্গাবাড়ী বাজার মসজিদের নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন “জয় বাংলা” স্লোগান দেওয়ায় সাবেক পিপি-কে গণপিটুনি, পুলিশে সোপর্দ উলিপুরে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ভোট কেন্দ্র মেরামতের টাকা আত্নসাতের অভিযোগ খাজা শাহ্ এনায়েতপুরী (রহ:) এর ১১০ তম ওরছ শরীফের দাওয়াত পত্র বিতরণ  রাজশাহীর মাঠে স্পীড স্কেটিংয়ে বগুড়ার স্কেটারদের ৩টি স্বর্ণপদক সহ ৮ পদক অর্জন এনায়েতপুরে ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি উপলক্ষে আলোচনা সভা

হাসপাতালে সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দিলেন মানবাধিকার চেয়ারম্যান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৪:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৩ ৭৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেছেন,শুনেছি এখানে সিন্ডিকেট রয়েছে। এসব সিন্ডিকেটের সদস্যরা রোগীদের কাছ থেকে অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে সিট ফাঁকা নেই বলে প্রাইভেট হাসপাতালগুলোতে পাঠিয়ে দেয়৷ খুব দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, এখানকার প্রশাসনিক কিছু লোক এবং আনসার এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত বলে শুনেছি।’

তিনি বলেন, আমরা প্রশাসনকে বলবো, ‘এসব ঘটনার জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করে সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে। হাসপাতালে মুমূর্ষু রোগীদের নিয়ে টাকাপয়সা লেনদেন হয়। এমন খবরে আমরা খুব দুঃখ পেয়েছি।’

সোমবার (১৪ আগস্ট) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ঢাকা শিশু হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, চারদিকে ডেঙ্গু আক্রান্তের ছড়াছড়ি। অনেক মানুষ মারাও যাচ্ছেন। তাই, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কোনো রোগী হাসপাতালে এলে, সিট থাকুক বা না থাকুক জরুরি বিভাগে রেখে হলেও চিকিৎসা দেওয়া উচিৎ। কোনো রোগীকে ফিরিয়ে দেওয়া উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।,

শিশু হাসপাতাল প্রাঙ্গণ অপরিষ্কার ও যেখানে-সেখানে পানি জমে থাকা, রোগীদের এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, আমরা হাসপাতাল ঘুরে তেমন কোনো জায়গা বা অবস্থা দেখতে পাইনি। তবে যেহেতু হাসপাতালের ভেতরে বেশকিছু স্থানে উন্নয়নমূলক সংস্কার কাজ চলছে, সেখানে হয়তো পানি জমে থাকতে পারে। তাই, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বলবো তারা যেন সবসময় রোগীদের চিকিৎসার পাশাপাশি হাসপাতালের পরিবেশও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখেন।ঢাকা শিশু হাসপাতালের পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের হাসপাতালে ৬০০ এর বেশি বেড রয়েছে। এর মধ্যে ১০০ বেড স্পেশাল কেয়ারিং। মুমূর্ষু রোগীর ক্ষেত্রে আমাদের স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া আছে। যে কোনো রোগী এলে তাকে প্রথমে জরুরি বিভাগে রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিতে হবে। তারপর বেড খালি না থাকলে সরকারি হাসপাতালে রেফার্ড করতে হবে। ইচ্ছে থাকলেও আমরা তো ইনস্ট্যান্ট বেড তৈরি বা এক বেডে দুজন রোগীকে রেখে চিকিৎসা দিতে পারি না।

সোমবার সকাল ১১টার পরে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদসহ একটি টিম ঢাকার আগারগাঁওয়ে ঢাকা শিশু হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ডসহ বেশ কয়েকটি ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন এবং রোগীদের সঙ্গে চিকিৎসা সেবা বিষয়ে কথা বলেন।

পরিদর্শনকালে কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য মোঃ সেলিম রেজা, সদস্য আমিনুল ইসলাম ও কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হাসপাতালে সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দিলেন মানবাধিকার চেয়ারম্যান

আপডেট সময় : ০৬:২৪:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক : মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেছেন,শুনেছি এখানে সিন্ডিকেট রয়েছে। এসব সিন্ডিকেটের সদস্যরা রোগীদের কাছ থেকে অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে সিট ফাঁকা নেই বলে প্রাইভেট হাসপাতালগুলোতে পাঠিয়ে দেয়৷ খুব দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, এখানকার প্রশাসনিক কিছু লোক এবং আনসার এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত বলে শুনেছি।’

তিনি বলেন, আমরা প্রশাসনকে বলবো, ‘এসব ঘটনার জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করে সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে। হাসপাতালে মুমূর্ষু রোগীদের নিয়ে টাকাপয়সা লেনদেন হয়। এমন খবরে আমরা খুব দুঃখ পেয়েছি।’

সোমবার (১৪ আগস্ট) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ঢাকা শিশু হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, চারদিকে ডেঙ্গু আক্রান্তের ছড়াছড়ি। অনেক মানুষ মারাও যাচ্ছেন। তাই, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কোনো রোগী হাসপাতালে এলে, সিট থাকুক বা না থাকুক জরুরি বিভাগে রেখে হলেও চিকিৎসা দেওয়া উচিৎ। কোনো রোগীকে ফিরিয়ে দেওয়া উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।,

শিশু হাসপাতাল প্রাঙ্গণ অপরিষ্কার ও যেখানে-সেখানে পানি জমে থাকা, রোগীদের এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, আমরা হাসপাতাল ঘুরে তেমন কোনো জায়গা বা অবস্থা দেখতে পাইনি। তবে যেহেতু হাসপাতালের ভেতরে বেশকিছু স্থানে উন্নয়নমূলক সংস্কার কাজ চলছে, সেখানে হয়তো পানি জমে থাকতে পারে। তাই, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বলবো তারা যেন সবসময় রোগীদের চিকিৎসার পাশাপাশি হাসপাতালের পরিবেশও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখেন।ঢাকা শিশু হাসপাতালের পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের হাসপাতালে ৬০০ এর বেশি বেড রয়েছে। এর মধ্যে ১০০ বেড স্পেশাল কেয়ারিং। মুমূর্ষু রোগীর ক্ষেত্রে আমাদের স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া আছে। যে কোনো রোগী এলে তাকে প্রথমে জরুরি বিভাগে রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিতে হবে। তারপর বেড খালি না থাকলে সরকারি হাসপাতালে রেফার্ড করতে হবে। ইচ্ছে থাকলেও আমরা তো ইনস্ট্যান্ট বেড তৈরি বা এক বেডে দুজন রোগীকে রেখে চিকিৎসা দিতে পারি না।

সোমবার সকাল ১১টার পরে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদসহ একটি টিম ঢাকার আগারগাঁওয়ে ঢাকা শিশু হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ডসহ বেশ কয়েকটি ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন এবং রোগীদের সঙ্গে চিকিৎসা সেবা বিষয়ে কথা বলেন।

পরিদর্শনকালে কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য মোঃ সেলিম রেজা, সদস্য আমিনুল ইসলাম ও কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।