সংবাদ শিরোনাম ::
শাহজাদপুরে আওয়ামীলীগের সাবেক দুই এমপির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা বেলকুচিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ  শাহজাদপুরে অটোবাইক ছিনতাই চক্রের ৬ জন আটক ৭ নভেম্বর না আসলে বাংলাদেশ বিলীন হয়ে যেত: বাউবি উপাচার্য বেলকুচির সেন ভাঙ্গাবাড়ী বাজার মসজিদের নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন “জয় বাংলা” স্লোগান দেওয়ায় সাবেক পিপি-কে গণপিটুনি, পুলিশে সোপর্দ উলিপুরে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ভোট কেন্দ্র মেরামতের টাকা আত্নসাতের অভিযোগ খাজা শাহ্ এনায়েতপুরী (রহ:) এর ১১০ তম ওরছ শরীফের দাওয়াত পত্র বিতরণ  রাজশাহীর মাঠে স্পীড স্কেটিংয়ে বগুড়ার স্কেটারদের ৩টি স্বর্ণপদক সহ ৮ পদক অর্জন এনায়েতপুরে ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি উপলক্ষে আলোচনা সভা

যুক্তরাষ্ট্র এখন কি করবে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৩:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৩ ৫৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: গত দুই বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ব্যাপারে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। প্রথমে বাংলাদেশকে গণতন্ত্র সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানায় নি। জো বাইডেন দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশের মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, বাংলাদেশের মানবাধিকার নিয়ে আপত্তি জানিয়ে র‌্যাবসহ র‌্যাবের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এরপর মার্কিন প্রশাসন থেকে সুস্পষ্টভাবে বলা হচ্ছিল, বাংলাদেশের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন তারা অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং অংশগ্রহণমূলক দেখতে চায়। পিটার ডি হাস বাংলাদেশে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশমুখী অভিযান আরো সাঁড়াশি হয়। বাংলাদেশের ব্যাপারে তাদের হস্তক্ষেপ এবং নানারকম তৎপরতা ক্রমশ চাপের পর্যায়ে চলে যায়। গত এক বছরে অন্তত ১০ জনের বেশি মার্কিন কর্মকর্তা বাংলাদেশে এসেছেন। এমনকি উজরা জেয়া, ডেনাল্ড লু’র মতো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বাংলাদেশ সফর করে গেছেন।’

আগামী নির্বাচনের আগে আগে নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ করতে গত ২৪ মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নতুন ভিসা নীতি জারি করেছে, যে ভিসা নীতিতে বলা হয়েছে, যারাই নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করবে এবং অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনকে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে নতুন ভিসা নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ করা হবে। একই সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে দুর্নীতির বিরুদ্ধেও সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে। বৈশ্বিক দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক সমন্বয়ক বাংলাদেশ সফর করে গেছেন। আর এই সমস্ত মিলিয়ে মনে করা হচ্ছে, বাংলাদেশের ব্যাপারে একটা কঠোর অবস্থান নিতে যাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও কোনো লুকোচুরি করেননি। তিনি একাধিক বক্তৃতায় দাবি করেছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ক্ষমতার পরিবর্তন করাতে চায়। আওয়ামী লীগকে তাদের পছন্দ নয়, দেশের উন্নয়ন হচ্ছে জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিতে চায়। সম্প্রতিক সময়ে তিনি এটিও দাবি করেছেন যে, বঙ্গোপসাগরকে ঘিরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ রয়েছে এবং এ কারণেই তারা একটি তাবেদার সরকার বাংলাদেশে ক্ষমতায় আনতে চায়।, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারকে চাপে ফেলার কৌশল গ্রহণ করেছে, ঠিক সেই সময় ভারত বর্তমান সরকারের পক্ষে প্রকাশ্য অবস্থান গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ভারত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারকে দুর্বল করলে সকলেই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এরকম পরিস্থিতিতে এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কি করবে?

গত দুই দশক ধরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্র অভিন্ন নীতি গ্রহণ করেছিল। বিশেষ করে ২০০৬-এর পর থেকে ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ব্যাপারে অভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেই চলছিল। বাংলাদেশের ব্যাপারে ভারত যে সিদ্ধান্ত নিতো, সেটিই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হতো এবং এখানে শেষ পর্যন্ত ভারতের কথাই শেষ কথা হিসেবে বিবেচিত ছিল। ২০০৭ সালে এক/এগারো আনার ক্ষেত্রে, ২০০৮ নির্বাচন এবং ২০১৪-এর নির্বাচনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের সিদ্ধান্তকেই মাথা পেতে নিয়েছিল। এখন প্রশ্ন হলো যে, এবার ক্ষমতাবান দুটি দেশ বাংলাদেশ নিয়ে পরস্পরবিরোধী অবস্থানে রয়েছে এবং দুই দেশই তাদের বাংলাদেশ নীতিকে প্রকাশ্য করেছে। এরকম অবস্থায় ভারত যে তার অবস্থান পাল্টাবে না, এটা পরিষ্কার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কি করবে? এই প্রশ্নটিই এখন কূটনৈতিক মহলে নানা হবে আলোচিত হচ্ছে’।

বিভিন্ন মহল মনে করছে, শেষ পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের সঙ্গে একটা সমঝোতার মধ্যেই আসবে। সমঝোতার একটি ইঙ্গিতও পাওয়া যাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশকে ব্রিকস এর পূর্ণাঙ্গ সদস্য করা হয়নি। এবার বাংলাদেশ ব্রিকসের আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্য হচ্ছে না। মূলত ভারতের কূটনৈতিক কৌশলের কারণে এটা হয়নি বলেও অনেকে মনে করছেন। ভারত এখন সরাসরি বাংলাদেশকে কোন শিবিরে দিতে চাচ্ছে না। বরং মার্কিন যক্তরাষ্ট্রের সাথে একটি সমঝোতার মাধ্যমে আগামী নির্বাচসনটিকে পার করতে চাচ্ছে।,

পাশাপাশি ভারতই একমাত্র বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের নৈকট্যকে কমাতে পারে, এইটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সম্ভব না, এটিও যুক্তরাষ্ট্র বিবেচনা করবে। তাছাড়া ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রতিরোধে বর্তমান সরকারের ভূমিকার কারণে ভারতীয়রা এ অবস্থান গ্রহণ করেছে। কাজেই এ অবস্থান থেকে তাদের সরে আসার কোন কারণ নেই। কাজেই শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বাংলাদেশের ইস্যু নিয়ে ভারতের সঙ্গে কোন মতদ্বৈততায় যাবে না বলেই কূটনৈতিক মহল মনে করেন। সেক্ষেত্রে ভারতের অবস্থানটি নীরবে সহ্য করবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র- এমনটিই মনে করছেন কূটনীতিকরা।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

যুক্তরাষ্ট্র এখন কি করবে

আপডেট সময় : ০৯:৪৩:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: গত দুই বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ব্যাপারে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। প্রথমে বাংলাদেশকে গণতন্ত্র সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানায় নি। জো বাইডেন দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশের মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, বাংলাদেশের মানবাধিকার নিয়ে আপত্তি জানিয়ে র‌্যাবসহ র‌্যাবের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এরপর মার্কিন প্রশাসন থেকে সুস্পষ্টভাবে বলা হচ্ছিল, বাংলাদেশের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন তারা অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং অংশগ্রহণমূলক দেখতে চায়। পিটার ডি হাস বাংলাদেশে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশমুখী অভিযান আরো সাঁড়াশি হয়। বাংলাদেশের ব্যাপারে তাদের হস্তক্ষেপ এবং নানারকম তৎপরতা ক্রমশ চাপের পর্যায়ে চলে যায়। গত এক বছরে অন্তত ১০ জনের বেশি মার্কিন কর্মকর্তা বাংলাদেশে এসেছেন। এমনকি উজরা জেয়া, ডেনাল্ড লু’র মতো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বাংলাদেশ সফর করে গেছেন।’

আগামী নির্বাচনের আগে আগে নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ করতে গত ২৪ মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নতুন ভিসা নীতি জারি করেছে, যে ভিসা নীতিতে বলা হয়েছে, যারাই নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করবে এবং অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনকে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে নতুন ভিসা নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ করা হবে। একই সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে দুর্নীতির বিরুদ্ধেও সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে। বৈশ্বিক দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক সমন্বয়ক বাংলাদেশ সফর করে গেছেন। আর এই সমস্ত মিলিয়ে মনে করা হচ্ছে, বাংলাদেশের ব্যাপারে একটা কঠোর অবস্থান নিতে যাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও কোনো লুকোচুরি করেননি। তিনি একাধিক বক্তৃতায় দাবি করেছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ক্ষমতার পরিবর্তন করাতে চায়। আওয়ামী লীগকে তাদের পছন্দ নয়, দেশের উন্নয়ন হচ্ছে জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিতে চায়। সম্প্রতিক সময়ে তিনি এটিও দাবি করেছেন যে, বঙ্গোপসাগরকে ঘিরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ রয়েছে এবং এ কারণেই তারা একটি তাবেদার সরকার বাংলাদেশে ক্ষমতায় আনতে চায়।, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারকে চাপে ফেলার কৌশল গ্রহণ করেছে, ঠিক সেই সময় ভারত বর্তমান সরকারের পক্ষে প্রকাশ্য অবস্থান গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ভারত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারকে দুর্বল করলে সকলেই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এরকম পরিস্থিতিতে এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কি করবে?

গত দুই দশক ধরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্র অভিন্ন নীতি গ্রহণ করেছিল। বিশেষ করে ২০০৬-এর পর থেকে ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ব্যাপারে অভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেই চলছিল। বাংলাদেশের ব্যাপারে ভারত যে সিদ্ধান্ত নিতো, সেটিই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হতো এবং এখানে শেষ পর্যন্ত ভারতের কথাই শেষ কথা হিসেবে বিবেচিত ছিল। ২০০৭ সালে এক/এগারো আনার ক্ষেত্রে, ২০০৮ নির্বাচন এবং ২০১৪-এর নির্বাচনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের সিদ্ধান্তকেই মাথা পেতে নিয়েছিল। এখন প্রশ্ন হলো যে, এবার ক্ষমতাবান দুটি দেশ বাংলাদেশ নিয়ে পরস্পরবিরোধী অবস্থানে রয়েছে এবং দুই দেশই তাদের বাংলাদেশ নীতিকে প্রকাশ্য করেছে। এরকম অবস্থায় ভারত যে তার অবস্থান পাল্টাবে না, এটা পরিষ্কার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কি করবে? এই প্রশ্নটিই এখন কূটনৈতিক মহলে নানা হবে আলোচিত হচ্ছে’।

বিভিন্ন মহল মনে করছে, শেষ পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের সঙ্গে একটা সমঝোতার মধ্যেই আসবে। সমঝোতার একটি ইঙ্গিতও পাওয়া যাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশকে ব্রিকস এর পূর্ণাঙ্গ সদস্য করা হয়নি। এবার বাংলাদেশ ব্রিকসের আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্য হচ্ছে না। মূলত ভারতের কূটনৈতিক কৌশলের কারণে এটা হয়নি বলেও অনেকে মনে করছেন। ভারত এখন সরাসরি বাংলাদেশকে কোন শিবিরে দিতে চাচ্ছে না। বরং মার্কিন যক্তরাষ্ট্রের সাথে একটি সমঝোতার মাধ্যমে আগামী নির্বাচসনটিকে পার করতে চাচ্ছে।,

পাশাপাশি ভারতই একমাত্র বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের নৈকট্যকে কমাতে পারে, এইটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সম্ভব না, এটিও যুক্তরাষ্ট্র বিবেচনা করবে। তাছাড়া ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রতিরোধে বর্তমান সরকারের ভূমিকার কারণে ভারতীয়রা এ অবস্থান গ্রহণ করেছে। কাজেই এ অবস্থান থেকে তাদের সরে আসার কোন কারণ নেই। কাজেই শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বাংলাদেশের ইস্যু নিয়ে ভারতের সঙ্গে কোন মতদ্বৈততায় যাবে না বলেই কূটনৈতিক মহল মনে করেন। সেক্ষেত্রে ভারতের অবস্থানটি নীরবে সহ্য করবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র- এমনটিই মনে করছেন কূটনীতিকরা।’