“যারা কোন উন্নয়ন দেখেন না, তারা ১০ টাকা দিয়ে চক্ষু দেখান”
- আপডেট সময় : ০৮:০৯:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১১৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বর্তমান সরকারের সমালোচনাকারীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের এত উন্নয়ন হওয়ার পরও যারা কোন উন্নয়ন দেখেন না, তাদেরকে বলব তারা যেন ১০ টাকায় টিকেট কেটে একটু চোখটা দেখায়।’
শুক্রবার (১ সেপ্টেম্বর) ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছাত্রলীগের ছাত্রসমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ডে গর্বে আমার বুক ভরে যায়।
সরকার প্রধান বলেন, কোন কিছুই তাদের ভালো লাগে, কোনো কিছুই তারা দেখে না। আমি তো খুব চমৎকার, খুব আধুনিক আই ইন্সটিটিউট করে দিয়েছি। খুব ভালো আই ইন্সটিটিউট এখন বাংলাদেশে আছে, যা আন্তর্জাতিক মানের এবং সমস্ত আধুনিক মেশিনপত্র সেখানে আছে। আমি নিজেও সেখানে চক্ষু দেখাতে যাই। যারা অন্ধ, কোনো উন্নতি দেখে না, তাদের বলব ১০ টাকায় সেখানে চক্ষু দেখানো যায়। তাদের অনুরোধ করব তারা যেন চোখটা একটু দেখিয়ে আসে।
ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের প্রশংসা করে শেখ হাসিনা বলেন, শহীদের খাতায় নাম দেখতে চাইলে দেখবো- ছাত্রলীগই বুকের রক্ত দিয়ে সব সংগ্রামে ছিল। এমনকি ৭৫ এর পরে ছাত্রলীগই প্রথম প্রতিবাদ করে। বাংলাদেশের যেকোনো দুর্যোগে ছাত্রলীগ সক্রিয় ছিল, অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। ২০০৭ সালে আমাকে যখন গ্রেফতার করা হয়, তখন ছাত্রলীগই মাঠে নেমেছিল। এ ছাত্রলীগই হচ্ছে সেই শক্তি, যারা একদিন এগিয়ে নিয়ে যাবে বাংলাদেশকে।করোনায়ও ছাত্রলীগ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। বিপদের সময় আমার নির্দেশে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কাস্তে হাতে কৃষকের ধান কেটে ঘরে তুলে দিয়েছে। এজন্য তাদের প্রতি আমার অনেক বিশ্বাস এবং আস্থা।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে অনেক সংগঠন মানবাধিকারের কথা বলে। ৮১ সালে যখন আমি ফিরে এসেছি, তখন তো আমি মা-বাবা-ভাইবোন হত্যার বিচার চাইতে পারিনি। জিয়াউর রহমান খুনিদের ক্ষমতায় বসায়। প্রতি পদে পদে বাধা সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু কোনো বাধাই আমাকে আটকাতে পারেনি। আমি বাবার স্বপ্নপূরণ ও মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের প্রতিজ্ঞা করে দেশে এসেছি। মাঠের পর মাঠ হেঁটেছি। দুর্গম পথ পাড়ি দিয়েছি। দেখতে চেয়েছি, এদেশের মানুষের কী অবস্থা? আমার বাবা-মার রক্ত নিয়ে তারা দেশের কী করেছে?
ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য দিয়েছেন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এতে সংগঠনটির সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ নেতারা অংশ নেন।
















